আইডিয়া প্রকল্প উদ্যোগে শুরু হলো আইডিয়াথন প্রতিযোগিতা

নিজস্ব প্রতিবেদক:

উদ্ভাবনী স্টার্টআপের খোঁজে তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগের আইডিয়া প্রকল্প উদ্যোগে আজ থেকে শুরু হলো আইডিয়াথন প্রতিযোগিতা। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক ডিজিটাল প্লাটফর্মে যুক্ত হয়ে আজ প্রধান অতিথি হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবেএ তিযোগিতার উদ্বোধন করেন।

প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি বলেন, জাতিগত ভাবে আমাদের তরুণদের ঝুঁকি নেয়ার যোগ্যাতা রয়েছে। তারা ঝড়-জলোচ্ছ্বাস মোকাবেলা করেই বেঁচে থাকে। তারা নতুন নতুন উদ্ভাবনের মাধ্যমে বিশ্ব জয় করবে। প্রতিমন্ত্রী দেশে ইনোবেশন এবং এন্টারপ্রেইনিয়রস ইকোসিস্টেম গড়ে তুলতে সরকার একাডেমীয়া ও ইন্ডাস্ট্রি যৌথভাবে কাজ করার উপর গুরুত্বারোপ করেন।

প্রতিমন্ত্রী বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলার আধুনিক রূপ জননেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জ্ঞানভিত্তিক প্রযুক্তিনির্ভর উন্নত, সমৃদ্ধ বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার জন্য তরুণ উদ্যোক্তা সহ সকলের প্রতি আহ্বান জানান।

লেটস স্টার্ট ইউ আপ’ স্লোগানে শুরু হওয়া প্রতিযোগিতার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দেন ৩০ টির বেশি সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যালামনাই ও বিভিন্ন ট্রেড অ্যাসোসিয়েশনের প্রতিনিধিরা।

আইডিয়া প্রকল্পের পরিচালক সৈয়দ মজিবুল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগের জ্যেষ্ঠ সচিব এন এম জিয়াউল আলম, বিসিসির নির্বাহী পরিচালক পার্থপ্রতিম দেব বিজিএমইএ সভাপতি রুবানা হক এবং স্টার্টআপ প্রকল্পের এডভাইজার টিনা এফ জাবিন অনুষ্ঠানে প্লাটফর্মে যুক্ত হয়ে বক্তব্য রাখেন।

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, প্রতিযোগিতায় বিজয়ী ৫ উদ্যোগের উদ্যোক্তারা পাবে দক্ষিণ কোরিয়াতে ৬ মাসের প্রশিক্ষণ, ইনকিউবেশন, ফান্ডিং, আন্তর্জাতিক পেটেন্টসহ কপিরাইট ও ট্রেডমার্ক নিবন্ধনের সহযোগিতা। এছাড়া সেরা ২৫ উদ্যোগ পাবে বিশেষ মেনটরিং এবং সম্মাননাপত্র।

তবে এজন্য বাংলাদেশের তথ্যপ্রযুক্তিভিত্তিক আগ্রহী স্টার্টআপগুলো অনলাইনে প্রাথমিক নিবন্ধন করতে পারবেন। ২১ নভেম্বর ২০২০ পর্যন্ত নিবন্ধন করা যাবে । নিবন্ধন শেষে তাদেরকে অংশ নিতে হবে আইডিয়াথন প্রতিযোগিতার সেরা স্টার্টআপ বাছাইপর্বে।
প্রতিযোগিতায় সহ-আয়োজক হিসেবে রয়েছে কোরিয়া প্রোডাক্টিভিটি সেন্টার (কেপিসি) এবং কোরিয়া ইনভেনশন প্রমোশন অ্যাসোসিয়েশন (কাইপা)। এছাড়া রয়েছে তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগ ও বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল এবং দক্ষিণ কোরিয়ার মিনিস্ট্রি অফ জাস্টিস ও গ্লোবাল স্টার্টআপ ইমিগ্রেশন সেন্টার।