আর্সেনালের সহজ জয়

দুরন্ত ডেস্ক:

আয়ারল্যান্ডে ডানডকের সঙ্গে আর্সেনালের শক্তিমত্তায় পার্থক্য ছিলো বিস্তর। সহজ জয়ের প্রত্যাশা নিয়েই এমিরেটসে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে মাঠে নামে গানাররা।

নিজেদের সবশেষ ম্যাচে লেস্টারের বিপক্ষে হেরেছিলো মিকেল আর্টেটার দল। সে কারণেই কি না, একাদশে ১০টি পরিবর্তন এনে দল মাঠে নামান গানার কোচ।

ইংলিশ প্রতিপক্ষের বিপক্ষে ডানডকের নেই কোনো জয়ের রেকর্ড। ইতিহাস যে এদিনও পরিবর্তন হবে না তার আভাস পাওয়া যায় ম্যাচের শুরুতেই। আর্সেনালের তারুণ্য নির্ভর দলটা মধ্যমাঠের দখল বুঝে নিয়ে করতে থাকে আক্রমণ। তবে সেগুলো পাচ্ছিলো না পূর্ণতা।

ফাকা এমিরেটসে তখন গোলের জন্য হাহাকার। ইউরোপা লিগে কোচের শর্তপূরণ না করায় ডানডক কোচ ছিলেন না ডাগআউটে। তারপরও প্রথমার্ধ্বের প্রায় পুরোটাই কোচের দেখানো কৌশল মতই খেলে দ্য লিলিহোয়াইটস। আর্সেনালের একের পর এক আক্রমণ প্রতিহত করে যায় তারা।

তবে প্রথমার্ধ্বের শেষ প্রান্তে গিয়ে সেই প্রতিরোধ ভেঙ্গে যায়। গানারদের ত্রাতা হয়ে আসেন ইংলিশ স্ট্রাইকার এডি এনকেতিয়া। ৪২ মিনিটে ক্লাবের হয়ে করা প্রথম গোলটা ইউরোপিয়ান ক্লাব প্রতিযোগিতায় তার প্রথম গোল।

ব্যবধান বাড়াতে অপেক্ষা করতে হয়নি বেশীক্ষণ। এর দুই মিনিট পরেই আবারো লিড স্বাগতিক আর্সেনালের। এবার গোলদাতা জো উইলক। বিরতি থেকে ফিরে ১ মিনিটও যায়নি, আবারো গোলের দেখা পায় এমিরেটস। আর্সেনালের হয়ে নিকোলাস পেপে ব্যবধান করেন ৩-০।

জয় পেলেও আর্সেনালের আক্ষেপ থাকতে পারে ব্যবধান বড় না হওয়ার। কারণ প্রতিপক্ষের ডেরায় ২৫ বার আক্রমণে গিয়েছিলো মিকেল আর্টেটার দল। তবে খেলা শেষ আক্ষেপ নয় বরং স্বস্তি সঙ্গী হয়েছে আর্সেনালের। গ্রুপ পর্বে টানা দ্বিতীয় জয়ে সহজ হয়ে গেলো তাদের নক আউট পর্বের পথটা।