ইতিবাচক ভাবে ফিরেছে রপ্তানি

নিজস্ব প্রতিবেদক:

বিশ্ববাজারে চাহিদা কম, প্রতিযোগিতা সক্ষমতা কম, এর মধ্যে বিশ্বব্যাপী করোনা মহামারি, এমন নানা প্রতিবন্ধকতায় রপ্তানি খাত এখন ঋণাত্বক প্রবৃদ্ধির দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। ঠিক তখনই নতুন অর্থবছর (২০২০-২১) শুরু হলো ইতিবাচক প্রবৃদ্ধি দিয়ে।

মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) প্রকাশিত চলতি অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ের রপ্তানি পরিসংখ্যানে এমনটাই দেখা গেছে।

জুলাই মাসে দেশের রপ্তানি আয় হয়েছে ৩৯১ কোটি ডলার। এই আয় গত অর্থবছরের জুলাই মাসের চেয়ে ০.৫৯ শতাংশ বেশি। গত অর্থবছরের একই সময়ে আয় হয় ৩৮৮ কোটি ৭৮ লাখ ডলার। লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয় ৩৪৪ কোটি ৯০ লাখ ডলার।

এদিকে ইপিবির পরিসংখ্যানে দেখা যায়, দেশের শীর্ষ রপ্তানি আয়ের খাত তৈরি পোশাক শিল্পে রপ্তানি আয় কম হলেও জুলাই মাসে লক্ষ্যমাত্রা অর্জন হয়েছে। এ সময় আয় হয়েছে ৩২৪ কোটি ৪৯ লাখ ডলার। এই আয় লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ১৪ শতাংশের বেশি। লক্ষ্যমাত্রা ছিল ২৮৪ কোটি ২০ লাখ ডলার। গত অর্থবছরের একই সময়ের চেয়ে এই আয় প্রায় ২ শতাংশ কম।

নিট পোশাক রপ্তানিতে আয় হয়েছে ১৭৫ কোটি ডলার। গত অর্থবছরের চেয়ে ৪.৩০ শতাংশ বেশি। ওভেন পোশাকে আয় হয়েছে ১৪৯ কোটি ৪৬ লাখ ডলার। গত অর্থবছরের একই সময়ের চেয়ে আয় কমেছে ৮.৪৩ শতাংশ। এ ছাড়া হোম টেক্সটাইলে রপ্তানি প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৪২ শতাংশের বেশি। আয় হয়েছে ৯ কোটি ৪০ লাখ ডলার।

অন্য প্রধান রপ্তানি খাতগুলোর মধ্যে আয় বেশি হয়েছে হিমায়িত মাছ, জীবন্ত মাছ, কৃষি পণ্য, চিংড়ি, পাট ও ওষুধ রপ্তানিতে। ফলে পোশাক রপ্তানিতে আয় সামান্য কম হলেও সার্বিক আয় বেড়েছে।

কৃষি পণ্যের রপ্তানি বেড়েছে ৩১ শতাংশ। ওষুধ রপ্তানি বেড়েছে ৪৯ শতাংশ, পাট রপ্তানি বেড়েছে ৩৮ শতাংশ। পরিমাণে রপ্তানি বেশি না হলেও ছোটখাটো কিছু পণ্যের রপ্তানিও বেড়েছে এ সময়।

দুরন্ত/৫আগস্ট/পিডি