ঈদ উপলক্ষে ঢাকা দক্ষিণ সিটির বর্জ্য ব্যবস্থাপনার চিত্র

নিজস্ব প্রতিবেদক:

পবিত্র ঈদ-উল-আজহা উপলক্ষ্যে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের বর্জ্য ব্যবস্থাপনার সার্বিক চিত্র তুলে ধরা হলো। আসন্ন পবিত্র ঈদ-উল-আযাহা ২০২০ উপলক্ষে কোরবানির পশুর হাট ও কোরবানির বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রম সুষ্ঠু তদারকির লক্ষ্যে নগর ভবনের শীতলক্ষ্যা হলে একটি মনিটরিং কন্ট্রোল রুম স্থাপন করা হয়েছে।

এতে ডিএসসিসি’র বিভাগীয় প্রধানগণ ছাড়াও কর্মকর্তা-কর্মচারীরা বিভিন্ন পরিক্রমায় দায়িত্ব পালন করবেন। একই সাথে মাঠ পর্যায়ে সৃষ্ট বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রম সরেজমিনে সচিত্র মনিটরিংয়ের জন্য কর্মকর্তা-কর্মচারী সহকারে আরেকটি টিম গঠন করা হয়েছে, যারা ৭৫টি ওয়ার্ডে সরেজমিনে সচিত্র বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রম তদারকি করবেন। এছাড়াও ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন এলাকার যেকোনো নাগরিক ফোন করে বর্জ্য অপসারণ সংক্রান্ত তথ্য জানাতে কন্ট্রোল রুমের ০১৭০৯৯০০৭০৫ নম্বরে ফোন করতে পারেন।

ডিএসসিসি অধিভূক্ত এলাকার যেকোনো নাগরিক বা গণমাধ্যম কর্মী এই নম্বরে ফোন করে কোরবানির পশুর বর্জ্য অপসারণ সংক্রান্ত কোন অভিযোগ জানালে তা অপসারণে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

কোরবানি ঈদের দিন প্রায় ৫.৫ হাজার টন বর্জ্য উৎপন্ন হবে। বর্জ্য সংরক্ষণের জন্য ডিএসসিসি থেকে প্রায় ১ লক্ষ বিশেষ ধরণের ব্যাগ বিতরণ করা হচ্ছে।

ডিএসসিসি’র ৭৫টি ওয়ার্ডে ৭৫টি নির্দিষ্ট স্থানে পশু জবাই করা হবে। এজন্য জনসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে ১ লক্ষ লিফলেট বিতরণ করা হয়েছে।

মাঠ পর্যায়ে ডিএসসিসির নিজস্ব, আউটসোর্সিং এবং প্রাইমারি ওয়েস্ট কালেকশন সার্ভিস প্রোভাইডার (পিডব্লিউসিএসপি) কর্মীসহ মোট ৬০০০ হাজার জন পরিচ্ছন্নতা কর্মী এবং ডিএসসিসির সর্বস্তরের কর্মকর্তা ও কর্মচারী প্রস্তুত থাকবে।

প্রতিদিনকার সৃষ্ট বর্জ্য ২৪ ঘন্টার মধ্যে অপসারণ করা হবে। বর্জ্য অপসারণের জন্য ভারী ও হালকা মোট ৩০০টি যানবাহন প্রস্তুত রাখা হয়েছে। বিশেষভাবে ১২টি পানির গাড়ির মাধ্যমে স্যাভলন ও ব্লিচিং মিশ্রিত পানি ছিটিয়ে কোরবানির স্থান দূষণমুক্ত করা হবে।
পরিবেশ সুরক্ষা ও দূষণমুক্ত রাখার লক্ষ্যে প্রায় ৪২ টন ব্লিচিং পাউডার ও ১৮০০ লিটার তরল জীবাণুনাশক ছিটানো হবে।