কিশোরগঞ্জে নতুন করে ১৭ জনের করোনা

কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি:

কিশোরগঞ্জ জেলায় সর্বশেষ পাওয়া নমুনা পরীক্ষায় রিপোর্টে নতুন করে আরো ১৭ জনের দেহে করোনা ভাইরাস কোভিড-১৯ পজিটিভ শনাক্ত হয়েছে। প্রতিদিনই বাড়ছে নতুন রোগীর সংখ্যা।কিশোরগঞ্জ জেলায় করোনা শনাক্তের হারও উর্ধ্বমুখী।ফের বেড়েছে শনাক্তের, সংখ্যা।

মঙ্গলবার (১১ আগস্ট)বুধবার (১২ আগস্ট)বৃহস্পতিবার(১৩ আগস্ট)ও আগের আংশিক সহ কিশোরগঞ্জ জেলায় সংগৃহীত মোট ১০১ জনের নমুনা, পরীক্ষার রিপোর্ট শুক্রবার (১৪ আগস্ট) )রাতে পাওয়া যায়।এই ১০১ জনের নমুনা পরীক্ষায় নতুন মোট ১৭ জনের মধ্যে করোনা ভাইরাসের অস্তিত্ব পাওয়া গেছে। বাকি ৮২ জনের মধ্যে রিপোর্ট নেগেটিভ এসেছে।

কিশোরগঞ্জের শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও জহুরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল,বাজিতপুর (আইডিসিআর)পিসিআর ল্যাবে এই নমুনাসমূহ পরীক্ষা করা হয়।ফলে এ নিয়ে করোনা ভাইরাসে কিশোরগঞ্জ জেলায় আক্রান্তের সংখ্যা আরো ১৭ জন বেড়েছে।বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট )পর্যন্ত কিশোরগঞ্জ জেলায় করোনা শনাক্তের সংখ্যা ছিল ২ হাজার ২১৯ জন।নতুন আরো ১৭ জন শনাক্ত হওয়ায় বর্তমানে তা’ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ২৩৬ জনে।

এ দিকে নতুন করে জেলায় করোনা ভাইরাস থেকে সুস্থ হয়েছেন ৭ জন।নতুন সুস্থ হওয়া ৭ জনের মধ্যে কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলা সবোর্চ্চ ৫ জন ও ভৈরব উপজেলায় ২ জন রয়েছেন।এ নিয়ে জেলায় মোট ১ হাজার ৯৫৭ জন সুস্থ হয়েছেন। বর্তমানে কিশোরগঞ্জ জেলায় মোট ২৩৯ জন করোনা আক্রান্ত রোগী এবং ১৪ জন সাসপেক্টটেড নিজ বাড়িতে ও বিভিন্ন হাসপাতালে আইসোলেশনে রয়েছেন।

করোনায় সর্বশেষ মারা গেছেন কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মামুন আল মাসুদ খানের মা সমাজসেবী শামছুন্নাহার (৬৫)।শুক্রবার (১৪ আগস্ট) সন্ধ্যায় ৭ টার দিকে কিশোরগঞ্জের শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন।গত ৯ (আগস্ট)তাঁর করোনা পজেটিভ হয়েছিল।

মোট মৃত ব্যক্তির সংখ্যা বেড়ে দাড়িয়েছে ৪১ জনে।নতুন করে করোনা শনাক্ত হওয়া ১৭ জনের মধ্যে কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলায় সবোর্চ্চ ৫ জন ও পাকুন্দিয়া উপজেলায় ৩ জন, কটিয়াদী উপজেলায় ৩ জন,ভৈরব উপজেলায় ৪ জন, ও বাজিতপুর উপজেলায় ২ জন রয়েছেন।

শুক্রবার ( ১৪ আগস্ট )রাত ৯ টার দিকে কিশোরগঞ্জ জেলা করোনা ভাইরাস প্রতিরোধ সংক্রান্ত কমিটির সদস্য সচিব সিভিল সার্জন ডাঃমোঃমুজিবুর রহমান বিষয়টি দুরন্ত নিউজকে নিশ্চিত করেছেন।

উপজেলাওয়ারী হিসেবে, কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলায় ৬৯৮ জন, হোসেনপুর উপজেলায় ৫৬ জন, করিমগঞ্জ উপজেলায় ১২২ জন, তাড়াইল উপজেলায় ৯৮ জন, পাকুন্দিয়া উপজেলায় ১২৬ জন, কটিয়াদী উপজেলায় ১২৬ জন,কুলিয়ারচর উপজেলায় ১১৩ জন, ভৈরব উপজেলায় ৫৮৩ জন, নিকলী উপজেলায় ৪৭ জন, বাজিতপুর উপজেলায় ১৮৩ জন, ইটনা উপজেলায় ৩২ জন, মিঠামইন উপজেলায় ৪০ জন, ও অষ্টগ্রাম উপজেলায় ১৩ জন।

করোনাভাইরাস পজেটিভ শনাক্ত হয়েছেন। তাদের মধ্যে ৪১ জন মৃত ব্যক্তি রয়েছেন।উপজেলাওয়ারী হিসেবে, কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার ১২ জন, হোসেনপুর উপজেলার ১ জন, করিমগঞ্জ উপজেলার ২ জন, তাড়াইল উপজেলার ১ জন, কটিয়াদী উপজেলার ১ জন, কুলিয়ারচর উপজেলার ৩ জন, ভৈরব উপজেলার ১৪ জন, নিকলী উপজেলার ৩ জন, বাজিতপুর উপজেলার ২ জন, মিঠামইন উপজেলার ১ জন,ও ইটনা উপজেলায় ১ জন রয়েছেন।

সুস্থ ও মৃত ব্যক্তিদের বাদ দিয়ে বর্তমানে কিশোরগঞ্জ জেলায় করোনা ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা ২৩৮ জন।উপজেলাওয়ারী হিসাবে কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলায় ১২১জন,হোসেনপুর উপজেলায় ৭ জন,করিমগঞ্জ উপজেলায় ১ জন,তাড়াইল উপজেলায় ১৩ জন,পাকুন্দিয়া উপজেলায় ১৬ জন,কটিয়াদী উপজেলায় ১০ জন,কুলিয়ারচর উপজেলায় ৫ জন,ভৈরব উপজেলায় ৩২ জন,নিকলী উপজেলায় ১০ জন,বাজিতপুর উপজেলায় ২০ জন,মিঠামইন উপজেলায় ২ জন ও অষ্টগ্রাম উপজেলায় ১ জন।বর্তমানে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত ব্যক্তি রয়েছেন। জেলার একমাত্র ইটনা উপজেলায় বর্তমানে কোন করোনা ভাইরাস আক্রান্ত রোগী নেই।