কৃষিতে চট্টগ্রাম পর্ব-৩, দক্ষিণ চট্টগ্রামের ফুলকপি চাষে স্বাবলম্বি অনেকে

সিরাজুল মনির, চট্টগ্রাম ব্যুরো প্রধান:

দেশের অর্থনীতিতে চট্টগ্রামের অনেক সেক্টর অবদান রেখে চলেছে। তার মধ্যে দক্ষিন চট্টগ্রামের ফুলকপি চাষ ও অন‍্যতম। দক্ষিণ চট্টগ্রামের প্রায় উপজেলার প্রায় দুইশ মত কৃষক সরাসরি ফুলকপি চাষের সাথে জড়িত।

যারা এখান থেকে আয় করে সংসার চালানোর পাশাপাশি সমাজের নানা ক্ষেত্রে অবদান রাখছে প্রতিনিয়ত।

পটিয়ার কেলিশহর এলাকার আমজাদ হোসেন ২০০৮ সালে সৌদি আরব গিয়ে ওখানে তেমন সুবিধা করতে না পারায় ২০১৪ সালে পূনরায় দেশে ফিরে এসে তার পৈত্রিক দুবিঘা জমি সহ আরো বার বিঘা জমি বর্গা নিয়ে ফুলকপি চাষ শুরু করে।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর চট্টগ্রামের সহায়তায় এক মাসের একটি কৃষি প্রশিক্ষণ এর মাধ্যমে আমজাদ বানিজ‍্যিক ভাবে ফুলকপি চাষ শুর করেন। প্রথম দিকে সে আশি হাজার টাকা খরচ করে প্রায় চাল লাখ টাকার ফুল বিক্রি করে প্রথম বছরে লাভের মুখ দেখাতে পাশের আরও বিশ বিঘা জায়গা বর্গা নেয়।

এরপর থেকে আমজাদকে আর পেছনে ফিরে থাকাতে হয়নি।

তার এ সাফল্য দেখে পাশ্ববর্তী অনেকেই এখন ফুলকপি চাষ করে স্বাবলম্বী হয়ে উঠেছে।
চট্টগ্রাম কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ‍্যমতে দক্ষিণ চট্টগ্রাম থেকে এক মৌসমে প্রায় ত্রিশ কোটি টাকার ফুলকপি বাজারজাত হয়।

চট্টগ্রাম সহ আশেপাশের জেলা গুলোতে দক্ষিন চট্টগ্রামের ফুলকপি বাজারে বিক্রির জন‍্য যায়।

চট্টগ্রাম চেম্বার অব কমার্স এর সভাপতি মাহবুবুল আলম এ বিষয়ে দুরন্ত নিউজকে বলেন, চট্টগ্রামের সবজি দেশের বিভিন্ন জায়গায় রপ্তানি হয়। এখানকার মাটি উর্বর হওয়াতে যে কোন সবজির ফলন খুব ভালো হয় এতে কৃষক লাভবান হওয়ার পাশাপাশি দেশের সবজির চাহিদাও পূরন হয়।

কৃষিবিদ বাদল দুরন্ত নিউজকে বলেন, ফুলকপি চাষিদের জন‍্য কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর বিভিন্ন সময় তাদের সমস্যা সমাধানের জন‍্য নানা রকম পদক্ষেপ নিয়ে থাকে। প্রশিক্ষনের মাধ্যমে তারা যাতে আর উন্নত ফসল করতে তার ব‍্যবস্হা করা হয়।