খাদ্যবান্ধব কর্মসূচীর আওতায় ১০ টাকা কেজি দরের চাল বিতরণ

কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি:

কিশোরগঞ্জ জেলার করিমগঞ্জের গুনধর ইউনিয়নে শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০ টার দিকে খাদ্য বান্ধব কর্মসূচীর আওতায় ১০ টাকা কেজি দরের চাল বিতরণ শুরু হয়েছে।চলমান করোনা দুর্যোগে কর্মহীন ও নিম্ন আয়ের মানুষের খাদ্য সরবরাহ নিশ্চিতে সারাদেশে সরকার বিশেষ ওএমএস চালু করেছে।

খাদ্য অধিদপ্তরের এক আদেশে বলা হয়-করোনা ভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধের লক্ষ্যে সরকার ঘোষিত সাধারণ সাধারণ ছুটিকালীন গৃহে অবস্থান করায় শ্রমজীবী মানুষ কর্মহীন হয়ে পড়েছে। এতে তাদের ক্রয় ক্ষমতা হ্রাস পেয়েছে।

দিন মজুর,রিক্সাচালক,ভ্যানচালক,পরিবহন চালক,ফেরিওয়ালা, চায়ের দোকান,ভিক্ষুক,ভবঘুরে,তৃতীয় লিঙ্গ (হিজরা)সম্প্রদায় সহ অন্যান্য সকল কর্মহীন মানুষকে এর আওতায় এনে এ-ই বিশেষ ওএমএস বাস্তবায়ন করতে হবে।কর্মসূচীটি বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে ভোক্তার বিস্তারিত তথ্য সম্বলিত মাষ্টার রোল(প্রযোজ্য ক্ষেত্রে মোবাইল নাম্বার সহ)সংরক্ষণ করতে হবে।

একই পরিবারের একাধিক ব্যক্তিকে ভোক্তা হিসেবে নির্বাচন করা যাবে না।এছাড়া উক্ত পরিবারের কেউ যদি খাদ্য বান্ধব অথবা ভিজিডি কর্মসূচীর উপকারভোগী হয়ে থাকেন তাহলে তিনি এই কর্মসূচীর আওতায় ভোক্তা হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হতে পারবেন না।

শেখ হাসিনার বাংলাদেশ,ক্ষুধা হবে নিরুদ্দেশ শ্লোগানে এই কর্মসূচী সারাদেশে বাস্তবায়িত হচ্ছে।

৮নং গুনধর ইউনিয়ন পরিষদের উরদিঘী(মরিচখালী)বাজারে খাদ্য অধিদপ্তর পরিচালিত হত দরিদ্রদের জন্য কার্ডের মাধ্যমে খাদ্য শস্য বিতরণ করেন ডিলার এস এম তানভীর আহম্মেদ মীর।তিনি জানান,৪৯৮ জনের মাঝে তিনি ১০ টাকা কেজি দরে ৩০ কেজি করে চাল বিতরণ করছেন।

করিমগঞ্জ উপজেলা খাদ্য পরিদর্শক ওমর শরীফ মেনন বলেন,এতে কেউ কোন প্রকার অনিয়ম করলে তাঁর বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে।চিঠিতে খাদ্য নিয়ন্ত্রকদের আর বলা হয়।এই নিদের্শনার পরে ও যদি কোন অবৈধ কার্ড ধরা পড়ে, তবে সঙ্গে সঙ্গে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করবেন।বিষয়টি আপনার উপজেলা নির্বাহী অফিসারদের অবহিত করবেন।

সম্প্রতি করোনা ভাইরাস এর সংক্রমণ প্রতিরোধে কর্মহীন হয়ে পড়া ঘরবন্দী মানুষেরা যখন দিশেহারা তখন এই ১০ টাকা কেজি চাল বিতরণে জনর্দুভোগ অনেকাংশে কমবে বলে মত প্রকাশ করেছেন সুফলভোগীরা।