চট্টগ্রামে এবার পুলিশ হয়ে পুলিশের স্ত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ

সিরাজুল মনির, চট্টগ্রাম ব্যুরো প্রধান:

পুলিশে চাকরি দেওয়ার কথা বলে চট্টগ্রামে এক কনস্টেবলের স্ত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় জড়িত দুজনকে গ্রেফতারর করেছে পুলিশ। এ ছাড়া নির্যাতনের শিকার ওই তরুণীকেও (২২) উদ্ধার করা হয়েছে।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন, মো. মহব্বত আলী (২৮) ও শাহাদাত হোসেন রাজু (৩১)। তারা সম্প্রতি বরখাস্ত হওয়া ট্রাফিক পুলিশের সদস্য (টিএসআই) কাসেমের ক্যাশিয়ার হিসেবে কাজ করতেন।

এ তথ্য নিশ্চিত করে ডবলমুরিং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সদীপ দাশ জানান, চাকরি দেওয়ার কথা বলে রাঙ্গামাটি থেকে ওই তরুণীকে চট্টগ্রাম নিয়ে আসে একটি চক্র। তাকে একটি বাসায় আটকে রেখে ধর্ষণ করা হয়।

ডবলমুরিং থানার উপপরিদর্শক (এসআই) অর্ণব বড়ুয়া জানান, ওই তরুণী এক পুলিশ কনস্টেবলের স্ত্রী। স্বামীর সঙ্গে বিরোধের সুযোগ নিয়ে আসামি শাহাদাত হোসেন রাজু তাকে পুলিশের চাকরিসহ বিভিন্ন লোভনীয় প্রস্তাব দিয়ে তার সঙ্গে নিয়ে আসেন এবং কিছুদিন আগে নগরীর আগ্রাবাদ এলাকার একটি আবাসিক হোটেল নিয়ে ধ’র্ষণ করেন। পরে শাহাদাত তার বন্ধু মো. মহব্বত আলীর কাছে ওই তরুণীকে রেখে আসেন।

শাহাদাত হোসেন রাজু জানান, মহব্বত আলী ওই তরুণীকে স্ত্রী পরিচয় দিয়ে নগরীর বিভিন্ন এলাকায় বাসা খুঁজতে থাকেন। গতকাল সোমবার ঈদগাঁ ঝর্ণা পাড়া এলাকায় বাসা খুঁজতে গিয়ে এলাকার নারীদের ওই তরুণী তার কাহিনী বলে দেন। পরে পুলিশ খবর পেয়ে তাকে উদ্ধার করে ও মো. মহব্বত আলীকে গ্রেফতার করে।

পুলিশের এ কর্মকর্তা আরো জানান, মহব্বতের স্বীকারোক্তিতে কৌশলে তাকে দিয়ে ফোন করিয়ে রাতে নগরীর ডবলমুরিং থানার চারিয়া পাড়া এলাকা থেকে রাজুকে গ্রেফতার করা হয়।

এ ঘটনা চট্টগ্রাম সহ সারাদেশে ভয়াবহ আতঙ্কের জন্ম দিয়েছে। সাধারণ মানুষের অভিমত জানমাল রক্ষার দায়িত্বে থাকা পুলিশের স্ত্রীকে ধর্ষন মানে জনগণ কারো হাতে নিরাপদ না।

দুরন্ত/২০অক্টোবর/আইডি