ঠাকুরগাঁওয়ে ৪ হাত-পা ভেঙে দেয়া সেই অন্তঃসত্ত্বা নারী মারা গেছে

ঠাকুরগাঁও সংবাদদাতা:

মাদক সেবনে বাধা দেয়ায় ঠাকুরগাঁওয়ে স্বামীর রডের আঘাতে চার হাত-পা ভেঙে যাওয়া পারভিন নামের অন্তঃসত্ত্বা সেই নারীর মৃত্যু হয়েছে।

রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ১৩ দিন চিকিৎসা পর পারভিন আক্তার (২৪) নামের ওই নারী বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় মারা যান।

পারভিন ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার বড়বাড়ি ইউনিয়নের মালঞ্চা গ্রামের শফিকুল ইসলামের মেয়ে।

ঠাকুরগাঁও থানার ওসি তানভিরুল ইসলাম জানান, গত ১৮ সেপ্টেম্বর সদর উপজেলায় রহিমানপুর গ্রামে পারভীনের স্বামী নূর ইসলাম পিটিয়ে পারভিনের চার হাত-পা ভেঙে দেন। এ ঘটনায় ঠাকুরগাঁও থানায় মামলা করেন ভুক্তভোগীর বাবা। সেই মামলায় নূর ইসলাম গ্রেফতার হয়ে জেলহাজতে রয়েছেন।

রহিমানপুর ইউপি চেয়ারম্যান আবদুল হান্নান হান্নু জানান, নূর ইসলাম তার স্ত্রীকে ঘরের দরজা ভেতর থেকে তালা দিয়ে লোহার রড দিয়ে পিটিয়ে দুই হাত ও দুই পা ভেঙে দেন। পরে পরিবারের লোকজন দরজা ভেঙে পারভিনকে উদ্ধার করে ঠাকুরগাঁও আধুনিক সদর হাসপাতালে নিয়ে যান। অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। পারভিন ছয় মাসের অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন।