তারেক রহমানকে নির্যাতন করে পঙ্গু করার অপচেষ্টা করা হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক:

তারুন্যের প্রতীক সম্ভাবনাময় নেতা, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে নির্যাতন করে পঙ্গু করার অপচেষ্টা, মিথ্যা মামলায় সাজা দিয়ে নির্বাসিত করে তাঁর ভাব মূর্তিকে হেয় করা যাবে না। দেশের সকল স্বাধীনতাকামী, গণতন্ত্রকামী মানুষের কাছে এই দুঃসময়ে এই ভয়ংক গণতন্ত্রহীন সংকটে নেতৃত্বের আশার আলোর দিশারী তিনি। তাঁর বিরুদ্ধে মিথ্যা প্রচার তাঁকে তাঁর লক্ষ্য অর্জনে বাধা দিতে পারবে না।

শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) বিকাল ৫টায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি এর জাতীয় স্থায়ী কমিটির ভার্চুয়াল সভায় বক্তারা এসব কথা বলেন। সভায় সভাপতিত্ব করেন বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

সভায় উপস্থিত ছিলেন জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য, ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ব্যারিষ্টার মওদুদ আহমেদ, ব্যারিষ্টার জমির উদ্দিন সরকার, মির্জা আব্বাস, বাবু গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ড. আব্দুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, বেগম সেলিমা রহমান, ইকবাল হাসান মাহমুদ (টুকু)।

সভায় সম্প্রতি বেগম খালেদা জিয়া ও বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান সম্পর্কে হীন রাজনৈতিক উদ্দেশ্য সুপরিকল্পিত মিথ্যা অপপ্রচারের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানানো হয়। নির্বাচনের আগের রাতে রাষ্ট্র যন্ত্রকে ব্যবহার করে ভোট ডাকাতি করে ক্ষমতা দখলকারী সরকার যখন করোনাভাইরাসে ফলে সৃষ্ট পরিস্থিতি মোকাবেলা করতে ব্যর্থ হয়েছে, যখন এই সরকারের চরম উদাসীনতায় লক্ষ মানুষের জীবন ও জীবিকা হুমকির সম্মুখীন হয়েছে, যখন হাজার মানুষ ভংগুর স্বাস্থ্য ব্যবস্থার জন্য প্রাণ হারাচ্ছে, যখন সরকারী দলের লুটেরাদের দূর্নীতির কারণে অর্থনীতি ধ্বংসের মুখে, রাষ্ট্রর সব প্রতিষ্ঠান দলীয় করন ও দূর্নীতির কবলে পড়ে দূঃশাসন সৃষ্টি করেছে, জনগণের আস্থা যখন শুণ্যের কোঠায় তখন জিয়াউর রহমানের বিরুদ্ধে বেগম খালেদা জিয়া ও বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমানের বিরুদ্ধে, বিএনপি’র ধ্বংসের এই সুপরিকল্পিত মিথ্যাচার দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্রের বিরুদ্ধে এক গভীর ষড়যন্ত্র বলে সভা অভিহিত করে।

কয়েকটি ইলেক্ট্রনিক চ্যানেল সরকারের নির্দেশে সম্পূর্ণ বিকৃত, বিকারগ্রস্থ মানসিকতায় তথা কথিত নাটক নামে পরিবেশন তারই একটি অংশ। আওয়ামী লীগ বল পূর্বক ক্ষমতা দখলের পর থেকেই অত্যন্ত সুপরিকল্পিত ভাবে ইতিহাস বিকৃত করে ভবিষ্যত প্রজন্ম তথা জনগণের সামনে স্বাধীনতা সংগ্রাম, মুক্তিযুদ্ধ
ও গণতান্ত্রিক সংগ্রাম নিয়ে মিথ্যা ও ভুল তথ্য পরিবেশন করছে।

সভা আরও মনে করে বেগম খালেদা জিয়ার দীর্ঘ ৯ বছর স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে সংগ্রাম, গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেয়ায় তাঁর যে, নারী শিক্ষা বিস্তারের জন্য তার নেতৃত্ব, অর্থনীতিকে শক্ত ভিত্তির ওপর দাঁড় করানোর যে অবদান সেটা জাতি সব সময় শ্রদ্ধা আর ভালবাসার সঙ্গে মনে রেখেছে। সভায় যে কোন ধরনের ইতিহাস বিকৃতিকে রুখে দেওয়ার জন্য সকলের প্রতি আহ্বান জানানো হয়।

সভায় বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান এবং বিএনপি’র বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও তথ্যমন্ত্রীর দায়িত্বহীন মন্তব্যের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানানো হয়। কভিড-১৯ এর ভ্যাকসিন এখনও চুড়ান্তভাবে বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থা কতৃক অনুমোদন পায়নি। বেশ কয়েকটি দেশে উদ্ভাবন ও পরীক্ষার কাজ চলছে। বিএনপি মনে করে ভ্যাকসিন সংগ্রহ ও বিতরনের ক্ষেত্রে কোনও রকম রাজনৈতিক, কূটনৈতিক, ও বানিজ্যিক স্বার্থও যেন সাধারণ মানুষের ভ্যাকসিন প্রাপ্তিতে কোন ব্যাঘাত না ঘটায় সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সকলকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানানো হয় এবং জনগণ যেন কোনও ব্যায় ব্যাতিরেকেই এই ভ্যাকসিন পেতে পারেন তার ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য সরকারকে আহ্বান জানানো হয়। তারেক রহমানকে নির্যাতন করে পঙ্গু করার অপচেষ্টা করা হয়েছেনিজস্ব প্রতিবেদক: তারুন্যের প্রতীক সম্ভাবনাময় নেতা, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে নির্যাতন করে পঙ্গু করার অপচেষ্টা, মিথ্যা মামলায় সাজা দিয়ে নির্বাসিত করে তাঁর ভাব মূর্তিকে হেয় করা যাবে না। দেশের সকল স্বাধীনতাকামী, গণতন্ত্রকামী মানুষের কাছে এই দুঃসময়ে এই ভয়ংক গণতন্ত্রহীন সংকটে নেতৃত্বের আশার আলোর দিশারী তিনি। তাঁর বিরুদ্ধে মিথ্যা প্রচার তাঁকে তাঁর লক্ষ্য অর্জনে বাধা দিতে পারবে না।শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) বিকাল ৫টায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি এর জাতীয় স্থায়ী কমিটির ভার্চুয়াল সভায় বক্তারা এসব কথা বলেন। সভায় সভাপতিত্ব করেন বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।সভায় উপস্থিত ছিলেন জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য, ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ব্যারিষ্টার মওদুদ আহমেদ, ব্যারিষ্টার জমির উদ্দিন সরকার, মির্জা আব্বাস, বাবু গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ড. আব্দুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, বেগম সেলিমা রহমান, ইকবাল হাসান মাহমুদ (টুকু)।সভায় সম্প্রতি বেগম খালেদা জিয়া ও বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান সম্পর্কে হীন রাজনৈতিক উদ্দেশ্য সুপরিকল্পিত মিথ্যা অপপ্রচারের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানানো হয়। নির্বাচনের আগের রাতে রাষ্ট্র যন্ত্রকে ব্যবহার করে ভোট ডাকাতি করে ক্ষমতা দখলকারী সরকার যখন করোনাভাইরাসে ফলে সৃষ্ট পরিস্থিতি মোকাবেলা করতে ব্যর্থ হয়েছে, যখন এই সরকারের চরম উদাসীনতায় লক্ষ মানুষের জীবন ও জীবিকা হুমকির সম্মুখীন হয়েছে, যখন হাজার মানুষ ভংগুর স্বাস্থ্য ব্যবস্থার জন্য প্রাণ হারাচ্ছে, যখন সরকারী দলের লুটেরাদের দূর্নীতির কারণে অর্থনীতি ধ্বংসের মুখে, রাষ্ট্রর সব প্রতিষ্ঠান দলীয় করন ও দূর্নীতির কবলে পড়ে দূঃশাসন সৃষ্টি করেছে, জনগণের আস্থা যখন শুণ্যের কোঠায় তখন জিয়াউর রহমানের বিরুদ্ধে বেগম খালেদা জিয়া ও বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমানের বিরুদ্ধে, বিএনপি’র ধ্বংসের এই সুপরিকল্পিত মিথ্যাচার দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্রের বিরুদ্ধে এক গভীর ষড়যন্ত্র বলে সভা অভিহিত করে। কয়েকটি ইলেক্ট্রনিক চ্যানেল সরকারের নির্দেশে সম্পূর্ণ বিকৃত, বিকারগ্রস্থ মানসিকতায় তথা কথিত নাটক নামে পরিবেশন তারই একটি অংশ। আওয়ামী লীগ বল পূর্বক ক্ষমতা দখলের পর থেকেই অত্যন্ত সুপরিকল্পিত ভাবে ইতিহাস বিকৃত করে ভবিষ্যত প্রজন্ম তথা জনগণের সামনে স্বাধীনতা সংগ্রাম, মুক্তিযুদ্ধও গণতান্ত্রিক সংগ্রাম নিয়ে মিথ্যা ও ভুল তথ্য পরিবেশন করছে। সভা আরও মনে করে বেগম খালেদা জিয়ার দীর্ঘ ৯ বছর স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে সংগ্রাম, গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেয়ায় তাঁর যে, নারী শিক্ষা বিস্তারের জন্য তার নেতৃত্ব, অর্থনীতিকে শক্ত ভিত্তির ওপর দাঁড় করানোর যে অবদান সেটা জাতি সব সময় শ্রদ্ধা আর ভালবাসার সঙ্গে মনে রেখেছে। সভায় যে কোন ধরনের ইতিহাস বিকৃতিকে রুখে দেওয়ার জন্য সকলের প্রতি আহ্বান জানানো হয়। সভায় বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান এবং বিএনপি’র বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও তথ্যমন্ত্রীর দায়িত্বহীন মন্তব্যের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানানো হয়। কভিড-১৯ এর ভ্যাকসিন এখনও চুড়ান্তভাবে বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থা কতৃক অনুমোদন পায়নি। বেশ কয়েকটি দেশে উদ্ভাবন ও পরীক্ষার কাজ চলছে। বিএনপি মনে করে ভ্যাকসিন সংগ্রহ ও বিতরনের ক্ষেত্রে কোনও রকম রাজনৈতিক, কূটনৈতিক, ও বানিজ্যিক স্বার্থও যেন সাধারণ মানুষের ভ্যাকসিন প্রাপ্তিতে কোন ব্যাঘাত না ঘটায় সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সকলকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানানো হয় এবং জনগণ যেন কোনও ব্যায় ব্যাতিরেকেই এই ভ্যাকসিন পেতে পারেন তার ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য সরকারকে আহ্বান জানানো হয়। পাবনা -৪ এর উপ নির্বাচনে আবার প্রমান করেছে যে, এই নির্বাচন কমিশন নির্বাচন পরিচালনার যোগ্য নয়। তারা সরকারের আজ্ঞাবহ হয়ে নির্বাচন ব্যবস্থাকে ধ্বংস করেছে। এই নির্বাচনকে বাতিল করে পুনরায় নির্বাচন অনুষ্ঠানের দাবী জানানো হয়।

পাবনা -৪ এর উপ নির্বাচনে আবার প্রমান করেছে যে, এই নির্বাচন কমিশন নির্বাচন পরিচালনার যোগ্য নয়। তারা সরকারের আজ্ঞাবহ হয়ে নির্বাচন ব্যবস্থাকে ধ্বংস করেছে। এই নির্বাচনকে বাতিল করে পুনরায় নির্বাচন অনুষ্ঠানের দাবী জানানো হয়।