তাড়াইলে বন্যার পানিতে নিচু এলাকা প্লাবিত

কিশোরগঞ্জের তাড়াইলে বন্যার পানিতে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ের নিচু এলাকা গুলো প্লাবিত হয়েছে। তাতে উপজেলার তাড়াইল-সাচাইল সদর ইউনিয়ন, ধলা ইউনিয়ন, দামিহা ইউনিয়ন, জাওয়ার ইউনিয়নের হাজারও মানুষ পরিবার পরিজন নিয়ে পানিবন্দি হয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন।

আজ ২৫ জুলাই শনিবার দুপুরে সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে,উপজেলার দামিহা ইউনিয়নের নগরকূল গ্রামটি বন্যার পানিতে সবচেয়ে বেশি প্লাবিত হয়েছে।এছাড়া সদর ইউনিয়ের ভেরনতলা ও সাচাইল বন্দের বাড়ি গ্রাম,এল এসডি রোডের নিম্নএলাকাজুড়ে, জাওয়ার ইউনিয়নের রতনপুরআজবপুর গ্রাম, ধলা ইউনিয়নের উত্তর ধলা, দক্ষিণ ধলা, কাঠলিকান্দা, গোজিন্দ্রপুর, চাঁনপুর গ্রামের হাজারও মানুষ পানি বন্দি হয়ে আছে।

ওই এলাকা গুলোতে গো-খাদ্যসহ নিম্ন আয়ের মাানুষ গুলো খাদ্য সংকটে ভুগছেন। কিছুদিন আগেও যেসব রাস্তা দিয়ে হরহামেশা ছুটে চলতো মানুষ ও নানান ধরনের শতশত ছোটবড় যানবাহন এখন সেখানে পানিতে ভাঁসছে নৌকা ও কলা গাছের ভেলা।

একদিকে করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব অন্যদিকে বন্যা এ যেন এক হতাশার অন্যরুপে দাঁড়িয়ে গেছে মানুষজনের জীবনযাত্রা।পানি বন্দি অনেকেই বসতভিটা ছেড়ে পরিবার পরিজন নিয়ে আত্মীয়-স্বজনদের বাড়িতে বা বিভিন্ন বন্যা দুর্গত আশ্রয় কেন্দ্রে আশ্রয় নিয়েছেন।উপজেলার বিভিন্ন গ্রামের পানি বন্দি মানুষদের সাথে কথা হলে তারা জানান গত কয়েকদিন যাবৎ আমরা বন্যায় পানি বন্দি হয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছি কিন্তু উপজেলা প্রশাসন বা জনপ্রতিনিধিদের কাছ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো রকম সাহায্য সহযোগিতা পায়নি।

তাড়াইল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো.তারেক মাহমুদ ভোরের কাগজকে বলেন,গত কয়েকদিন বৃষ্টির থাকায় বন্যায় প্লাবিত এলাকা পরিদর্শন করা সম্ভব হয়নি তবে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষথেকে প্রতিনিধিদল বন্যা প্লাবিত এলাকা পরিদর্শন করে আসছেন।এছাড়া বন্যা কবলিত এলাকায় ত্রাণ বিতরণের জন্য চাহিদা চেয়ে জেলায় চিঠি দেয়া হয়েছে।বরাদ্দ পেলেই ওই এলাকা গুলোতে ত্রাণ বিতরণ শুরু করবো।পাশাপাশি সকল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানদেরকে বলে দিচ্ছি তাঁরা যেন বন্যায় প্লাবিত এলাকা ঘুরে খোঁজ-খবর নেন।

দুরন্ত/২৫জুলাই/পিডি