পড়ার সময় গান চাই

নিজস্ব প্রতিবেদক:

গুন গুন শব্দ কারো কারো দরকার। আবার কারো একাগ্রে থাকলেই পড়া শুনাটা হয়। তবে অধিকাংশ শিক্ষার্থী গান শুনলে পড়া হয় বলে জানিয়েছেন। তবে এ নিয়েও হয়েছে অনেক গবেষণা।

দেখা গেছে, পড়ার সময় মিউজিকে তেমন একটা বাধা নেই। তবে মানতে হবে নিয়ম। গো কনকার ডট কম অবলম্বনে জানাচ্ছেন ফয়সল আবদুল্লাহ

পড়ার সময় মেটাল কিংবা হার্ড রক বা কোনো ধরনের আনন্দ-বেদনার গান না শোনাই উত্তম। সবচেয়ে ভালো হয় যদি ধ্রুপদি, মানে ক্লাসিক্যাল কোনো সংগীত শুনে থাকো।

যাদের ক্লাসিক্যাল শুনতে ঘোরতর আপত্তি, তারা শুনতে পারো মোত্জার্টের সিম্ফনি। এ নিয়ে বিস্তর গবেষণা হয়েছে। মোত্জার্টের মিউজিক শুনলে নাকি চিন্তার ক্ষমতা বাড়ে। যাকে বলে মোত্জার্ট এফেক্ট। সুতরাং চেষ্টা করতে ক্ষতি কী!

আবহসংগীত পড়ায় মন বসাবে ভালো। আবহসংগীত মানে প্রিয় কোনো সিনেমার ব্যাকগ্রাউন্ড ট্র্যাক হতে পারে। কিংবা ধরো, কোনো একটা বা একাধিক বাদ্যযন্ত্রের হালকা ধাঁচের ইনস্ট্রুমেন্টাল।

শুধু যে গানই শুনতে হবে তা নয়। পড়ার সময় ইউটিউবের মাধ্যমে শুনতে পারো প্রাকৃতিক শব্দ। এতে করে পড়ার সময় এক ধরনের প্রশান্তি কাজ করবে। ইউটিউবে সার্চ দিলেই পাবে জঙ্গলের শব্দ, বৃষ্টির শব্দ, আরো কত কী।

মূল উদ্দেশ্য হলো পড়া, গান শোনা নয়। তাই ভলিউমটা স্বাভাবিকের চেয়ে যেন একটু কম হয়। আর একটু পর পর গান যেন বদলাতে না হয়, সে জন্য আগে থেকেই তৈরি করে রেখো একটা প্লে-লিস্ট। আর সেটা যেন কমসে কম ঘণ্টাখানেকের হয়।

ঘুমাতে যাওয়ার আগে যেমন উপকারী, তেমনই পরীক্ষার হলে ঢোকার আগেও নিজের প্রিয় গানগুলো শুনে নিতে পারো এক দফা। মনের স্থিরতা আসবে এতে।