বগুড়ায় দা ছুরি বিক্রি চলছে মধ্যরাত অব্দি

সাখাওয়াত হোসেন জনি, বগুড়া প্রতিনিধি:

চাকুরীজীবি সেলিম হোসেন সব কাজ সেরে বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১০টায় এসছেন ছুরি ও দা কিনতে। কোরবানি ঈদের পশু কাটাকাটি করার জন্য প্রয়োজন। সেলিম হোসেনের মত অনেকেই দিনে সময় না পাওয়ায় রাতে এসেছেন বগুড়া শহরের কাঁঠালতলা দা, ছুরি কিনতে।

করোনা ভাইরাসের ঝুঁকি মাথায় রেখেই চলছে ঈদ উল আযহার প্রস্তুতি। পশুর হাটে গুলো বিক্রি যেমন বেড়েছে তেমনি কামারশালার ব্যস্ততার সাথে বেড়েছে শহরে ধারালো দা, ছুরি, চাপাতি বিক্রি।

বেশ কয়েক বিক্রেতার সাথে কথা বলে জানা যায়, দেশী তৈরি ছোট ছুরি ২০টাকা থেকে ৬০টাকা, মাঝারী ও বড় ছুরির দাম ৬০ টাকা থেকে ১৩০টাকা, রামদা ও চাপাতি আকার ও ওজন ভেদে ৩০০টাকা থেকে ৬০০টাকা পর্যন্ত এবং বটি আঁকার ভেদে ৫০ টাকা থেকে ৪০০টাকা, কুড়াল ২৫০টাকা থেকে ৪০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এর সঙ্গে বার্মিজ ও চীনের তৈরি সিলভার রঙের চাপাতি বিক্রি হচ্ছে ৩৫০টাকা থেকে ৫৫০ টাকা, ছোট ছুরি ৮০টাকা থেকে ১২০ টাকা, পশু জবাই করার ছুরি ৩০০ টাকা থেকে ১০০০টাকা এবং আকার ও টেকসইয়ের ভিত্তিতে বিভিন্ন দামে বিক্রি হচ্ছে।

বগুড়া জেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডা. রফিকুল ইসলাম তালুকদার জানান, এবছর কোরবানির জন্য চাহিদা ধরা হয়েছে ৩ লাখ ২৫ হাজার গবাদি পশু। চাহিদার তুলনায় জেলায় ৩ লাখ ৭৬ হাজার গবাদি পশু প্রস্তুত রয়েছে। এর মধ্যে গরু আড়াই লাখ রয়েছে।