বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন বাস্তবায়নে আজীবন কাজ করে যাবো

নিজস্ব প্রতিবেদক:

বস্ত্র ও পাট মন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী, বীরপ্রতীক বলেন, “স্বাধীনতা পুরস্কার আমাকে দেশ গঠনের কাজে আরো অনুপ্রাণিত করছে। বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন বাস্তবায়নে আজীবন কাজ করে যাব । দেশের উন্নয়ন যেন সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করি, এটাই সবার কাছে আমার কামনা ।”

আজ দুপুরে সচিবালয়ে মহান স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী,বীরপ্রতীক,এমপি “স্বাধীনতা পুরস্কার-২০২০” লাভ করা উপলক্ষে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে সংবর্ধণা প্রদান অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। অনু্ষ্ঠানে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের সচিব লোকমান হোসেন মিয়া, অতিরিক্ত সচিব মোহাম্মদ আবুল কালাম,এনডিসি, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন দপ্তর/সংস্থার প্রধানগণসহ মন্ত্রণালয়ের উর্দ্ধতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

মন্ত্রী বলেন, “জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ডাকে সাড়া দিয়ে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করি। বিখ্যাত ক্র্যাক প্লাটুনের একজন যোদ্ধা হিসেবে দুঃসাহসিকতার সঙ্গে বিভিন্ন সম্মুখ সমরে অংশ গহণ করেছি। মুক্তিযুদ্ধে অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান “বীরপ্রতীক” খেতাবে ভূষিত করেছেন। প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতীয় পর্যায়ে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধে বিশেষ অবদানের জন্য ‘স্বাধীনতা পুরস্কার – ২০২০’ প্রদান করেছেন। পিতার হাত থেকে খেতাব, কন্যার হাত থেকে পুরস্কার এদুটিই আমি পেয়েছি। এ রকম ভাগ্য কার আছে? আর আমার পাওয়ার কিছু নাই।”

তিনি বলেন, “মহান স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় ঐক্যবদ্ধ হয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত কাজ সম্পাদনের মাধ্যমে দেশকে সোনার বাংলা গড়তে কাজ করছে সরকার ।”

উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার ‘স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২০’ প্রদান অনুষ্ঠানে দেশের সর্বোচ্চ বেসামরিক নাগরিক সম্মাননা তুলে দেওয়া হয়। গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে অনুষ্ঠানে যুক্ত হন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক ভূষিতদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন।

এবছর স্বাধীনতা পদক পেলেন— স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্য বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী, কমান্ডার (অব.) আবদুর রউফ (মরণোত্তর), শহীদ বুদ্ধিজীবী মুহম্মদ আনোয়ার পাশা (মরণোত্তর) ও আজিজুর রহমান, চিকিৎসাবিদ্যায় অধ্যাপক ডা. মো. উবায়দুল কবীর চৌধুরী, অধ্যাপক ডা. এ কে এম এ মুক্‌তাদির এবং সংস্কৃতিতে কালীপদ দাস ও ফেরদৌসী মজুমদার। এ ছাড়া, শিক্ষাক্ষেত্রে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ভারতেশ্বরী হোমস্‌কে স্বাধীনতা পদক দেওয়া হয়েছে।
পিআরও

দুরন্ত/১নভেম্বর/পিডি