বশেমুরবিপ্রবির কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারে চুরি


বশেমুরবিপ্রবি প্রতিনিধি :

বৈশ্বিক মহামারী করোনা প্রকোপের কারণে দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো বন্ধ রয়েছে। এ বন্ধের সুযোগে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (বশেমুরবিপ্রবি) এর কেন্দ্রীয় একুশে ফেব্রুয়ারি লাইব্রেরির জানালা ভেঙ্গে ৪৯ টি কম্পিউটার চুরি হয়েছে বলে জানায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। এর আগে রোববার রাতে ৯১টি কম্পিউটার চুরির ঘটনার কথাও জানায় রেজিস্ট্রার দপ্তর।

খবর নিয়ে জানা গেছে, গোপালগঞ্জের বিভিন্ন এলাকায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রাবাসে চুরির ঘটনা ঘটছে। এবার চুরির ঘটনা ঘটেছে খোদ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারে।
সোমবার (১০ আগষ্ট) সকালে ভারপ্রাপ্ত লাইব্রেরিয়ানসহ অন্যান্যরা সরেজমিনে পরিদর্শন শেষে ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. মাহবুবুল আলম।

বিশ্ববিদ্যালয় ভারপ্রাপ্ত লাইব্রেরিয়ান মো. নাছিরুল ইসলাম জানান, মোট ৪৯ টি কম্পিউটার চুরি হয়েছে এবং ৬ টি কম্পিউটার ভেঙে ফেলা হয়েছে।
এর আগে চুরির ঘটনা উল্লেখ করে রেজিস্ট্রার ড. মো. নূরউদ্দিন আহমেদ জানান, “ছুটি শেষে আজ বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্রম শুরু হওয়ার পর বিষয়টি সম্পর্কে কর্তৃপক্ষ অবগত হয়। এসময় দেখা যায় লাইব্রেরির পিছনের দিকের জানালা ভেঙে কম্পিউটার চুরি হয়।” তিনি আরো জানান, চুরির ঘটনায় মামলা দায়ের করার প্রস্তুতি চলছে।

চুরির ঘটনায় আইন অনুষদের ডিন মো. আব্দুল কুদ্দুস মিয়াকে প্রধান করে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। সোমবার বশেমুরবিপ্রবির রেজিস্ট্রার ড. মো. নূরউদ্দিন আহমেদ সাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এ কথা জানানো হয়। গঠিত কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন, বিজ্ঞান অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মো. আব্দুর রহিম, বিশ্ববিদ্যালয় প্রকৌশলী এস এম এস্কান্দার আলী, প্রক্টর ড. মো. রাজিউর রহমান, ভারপ্রাপ্ত লাইব্রেরীয়ান মো. নাছিরুল ইসলাম, সহকারী রেজিস্ট্রার মো. নজরুল ইসলাম, রেজিস্ট্রার ড. মো. নূরউদ্দিন আহমেদ (সদস্য সচিব)।

অফিস আদেশে আরও বলা হয়, আগামী সাত কর্মদিবসের মধ্যে তদন্ত কমিটির সুপারিশসহ প্রতিবেদন বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার বরাবর জমা দিতে অনুরোধ করা হয়েছে। দায়িত্বপ্রাপ্ত গার্ডদের অনুনোমোদিত ছুটিতে থাকার বিষয়টিও তদন্ত করতে বলা হয়েছে।