বাস পোড়ানোর ঘটনায় ১০টি মামলা দায়ের, আসামী চার শতাধিক, গ্রেপ্তার ২১

নিজস্ব প্রতিবেদক:

হঠাৎ করে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় ১০টি বাসে আগুন দেয়ার ঘটনায় রাজধানীর মতিঝিল, শাহবাগ ও পল্টনসহ ছয়টি থানায় নয়টি মামলা হয়েছে। এসব মামলায় চার শতাধিক লোককে আসামি করা হয়েছে। আসামিদের বেশির ভাগ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মী বলে জানিয়েছে পুলিশ।

রাজনৈতিক কোনো উত্তাপ ছাড়াই বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টা থেকে সাড়ে চারটার মধ্যে রাজধানীর নয়াপল্টনে, গুলিস্তান, শাহবাগ, সচিবালয়ের উত্তর পাশে, নয়াবাজার, পল্টন, মতিঝিল ও ভাটারায় নয়টি বাসে আগুন দেয় দুর্বৃত্তরা। এছাড়া রাতে আজমপুরে আরেকটি বাসে আগুন দেয়ার ঘটনা ঘটে।

ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) সূত্রে জানা গেছে, পুলিশ বাদী হয়ে মতিঝিল থানায় দুটি, শাহবাগ থানায় দুটি, পল্টন থানায় দুটি এবং কলাবাগান, ভাটারা ও বংশাল থানায় একটি করে মামলা করেছে। ইতিমধ্যে এসব মামলায় ২০ আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। বাস পোড়ানোর ঘটনায় কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। এদিন ঢাকার উত্তরা এলাকায় সংসদ উপনির্বাচন থাকলেও সেই এলাকায় দিনে কোনো বাসে আগুনের ঘটনা ঘটেনি।

এদিকে এসব নাশকতার ঘটনায় বিএনপিকে দায়ী করছে সরকারি দল আওয়ামী লীগ। তাদের দাবি, বিএনপি জ্বালাও-পোড়াওয়ের রাজনীতিতে আবার ফিরে যাচ্ছে। যদিও বিএনপির পক্ষ এসব অভিযোগ অস্বীকার করে দাবি করা হয়েছে, এই নাশকতার ঘটনা উদ্দেশ্যমূলক ও পরিকল্পিত।

এদিকে একটি বেসরকারি টেলিভিশন ডিবিসি চ্যানেলে একটি অডিও প্রচারিত হয়েছে। খবরে বলা হয়, আগুনের ঘটনাকে কেন্দ্র করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে একটি অডিও ক্লিপ এসেছে। এতে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান নিতাই রায় চৌধুরীর সঙ্গে ফরিদা ইয়াসমিন নামে একজনের কথোপকথন রয়েছে। যদিও এ ব্যাপারে এখনো বিএনপির আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

দুরন্ত/১৩নভেম্বর/পিডি