বিয়ের প্রলোভনে উকিলকে ধর্ষণের অভিযোগে ডাক্তার গ্রেফতার

রাজশাহী প্রতিনিধি:

রাজশাহী নগরীতে এক চিকিৎসকের বিরুদ্ধে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে দীর্ঘদিন ধরে নারী আইনজীবীকে ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। ভুক্তভোগী ওই নারীর অভিযোগের পর শনিবার (২৫ জুলাই) সকালে রাজপাড়া থানা পুলিশ অভিযুক্ত চিকিৎসককে আটক করেছে। অভিযুক্ত ওই চিকিৎসকের নাম সাখাওয়াত হোসেন রানা (৪০)।

তিনি রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের চক্ষু বিশেষজ্ঞ। তার গ্রামের বাড়ি নওগাঁর পোরশা উপজেলায়। ভুক্তভোগী নারী জানান, প্রায় দেড় বছর আগে ডা. রানার সঙ্গে তার পরিচয় হয়। এরপর বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে কৌশলে তাকে ধর্ষণ করেন এবং সেই ভিডিওচিত্র ধারণ করে রাখেন।

তারপর সেই ভিডিওচিত্র ছড়িয়ে দেয়ার ভয় দেখিয়ে মাসের পর মাস ধরে তাকে ধর্ষণ করে যাচ্ছিলেন। রাজপাড়া থানার ওসি শাহাদাত হোসেন ভুক্তভোগী নারীর বরাত দিয়ে জানান, ডা. রানার স্ত্রী-সন্তান আছে। তার গ্রামের বাড়ি নওগাঁর পোরশা উপজেলায়। রাজশাহী নগরীর টিকাপাড়া এলাকায় তিনি ভাড়া থাকেন।

আর ভুক্তভোগী নারীর বাড়ি চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলায় এবং তিনি রাজশাহী জেলা জজ আদালতে শিক্ষানবীশ আইনজীবী হিসেবে কাজ করেন। তিনি নগরীর ডিসি অফিস এলাকার একটি বাড়িতে বান্ধবীকে সঙ্গে নিয়ে ভাড়া থাকেন। ওসি জানান, শনিবার সকালে ডা. রানা ওই নারীর ভাড়া বাসায় গিয়ে তার সঙ্গে জোরপূর্বক শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করতে চান।

এ সময় ওই নারীর বান্ধবী পুলিশের জরুরি সেবার ৯৯৯ নম্বরে কল দেন। এছাড়া তিনি আশপাশের লোকজনকে বিষয়টি জানান। তখন এলাকাবাসী ওই চিকিৎসককে আটকে রাখেন। পরে পুলিশ গিয়ে তাকে রাজপাড়া থানায় নিয়ে আসে। ভুক্তভোগী ওই নারীকেও থানায় আনা হয়। ওসি আরো জানান, চিকিৎসক দাবি করছেন উভয়ের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক ছিল। তবে এ ঘটনায় থানায় ধর্ষণের মামলা হবে। ওই নারী বাদী হয়ে মামলাটি দায়েরের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। মামলার পর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।