রাহুল-প্রিয়াঙ্কা কয়েক ঘণ্টা বন্দি থেকে মুক্ত হলো

দুরন্ত ডেস্ক:

বৃহস্পতিবার ভারতের উত্তর প্রদেশে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হয়ে দলিত সম্প্রদায়ের তরুণী নিহত হয়েছে। এই ঘটনায় প্রতিবাদ ও বিচারের দাবিতে কনভয় নিয়ে নির্যাতিতার বাড়িতে তার পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে যাওয়ার পথে পুলিশের হাতে আটক হন কংগ্রেসের সাবেক সভাপতি রাহুল গান্ধী।

এসময় তার বোন প্রিয়াঙ্কা গান্ধীকেও আটক করা হয়। ১৪৪ ধারা ভাঙার অভিযোগে তাদের আটক করা হয়।

পুলিশ জানায়, পরিস্থিতি বেসামাল হওয়ায় ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে হাথরসে। রাহুল-প্রিয়াঙ্কারা সেই নির্দেশ অমান্য করতেই শুরু হয়ে যায় ধাক্কাধাক্কি।

রাহুল গান্ধী সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ‘আমাদের গাড়ি আটকে দিয়েছে, তাই আমরা পায়ে হেঁটেই যাচ্ছিলাম। এর মধ্যেই পুলিশ লাঠিচার্জ করে। আমাকে ধাক্কা মেরে ফেলে দেয়া হয়। এ দেশে কি শুধু নরেন্দ্র মোদীই হাঁটবেন? সাধারণ মানুষের হাঁটারও অধিকার নেই?’

১৫ দিন মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ে মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সকালে দিল্লির সফদর জং হাসপাতালে মারা যান ধর্ষণের শিকার ২০ বছর বয়সী ওই তরুণী। গত ১৪ সেপ্টেম্বর উত্তরপ্রদেশে ওই নারীকে ধর্ষণ ও নিপীড়ন চালায় উচ্চবর্ণ হিন্দুদের চার ব্যক্তি। অথচ ময়না তদন্তের রিপোর্টে ধর্ষণের কথা উল্লেখ করেনি চিকিৎসকেরা। বলা হয় গলার ফাঁস লাগিয়ে তাকে খুন করা হয়েছে।

এ ঘটনায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে চার ধর্ষককে।