সুষ্ঠু নির্বাচনের প্রতিশ্রুতি দিলো মালির বিদ্রোহী সেনারা

দুরন্ত ডেস্ক:

মালির নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে বিদ্রোহী সেনারা। তারা মালির প্রেসিডেন্ট ও প্রধানমন্ত্রীকে প্রথমে আটক করে। এরপর তাদের পদত্যাগ করায়। যদিও বিদ্রোহী সেনাদের পক্ষে জনগণের সমর্থন রয়েছে।

মালি নিয়ন্ত্রেণে নেওয়ার পর বুধবার (১৯ আগস্ট) বিদ্রোহী সেনারা এক সংবাদ সম্মেলন করে নির্বাচনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। খবর আল জাজিরার।

বিদ্রোহী সেনাদের মুখপাত্র কর্নেল মেজর ইসমায়েল ওয়াগু বলেছেন, ‘সামাজিক ও রাজনৈতিক যে দুশ্চিন্তা ছিল সেটা কমে এসেছে। এখন আমরা দেশকে কিভাবে যথাযথভাবে চালানো যায় সেটা নিয়ে ভাববো।

ক্ষমতায় থাকা কিছু ভুল লোকদের ভুলের কারণেই মালিতে চরম বিশৃঙ্খলা ও অরাজকতা তৈরি হয়েছে। তৈরি হয়েছে চরম অনিরাপত্তাও। প্রকৃত গণতন্ত্র কখনো সুখতন্ত্রের সঙ্গে যায় না। যায় না রাষ্ট্রীয় কর্তৃপক্ষের দুর্বলতার সঙ্গেও। গণতন্ত্রের মাধ্যমে মানুষের স্বাধীনতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।’

‘আমরা দেশের স্থিতি অবস্থা চাই। আর সেটার মাধ্যমে আমরা সাধারণ নির্বাচন আয়োজন করবো। নির্বাচনের মাধ্যমে মালিকে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে যথাপোযুক্ত ও শক্তিশালী রাষ্ট্রে পরিণত করবো।’

মঙ্গলবার রাতে মালির প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম বোউবাকার কেইতা পদত্যাগ করেন। টেলিভিশনে দেওয়া এক ভাষণে তিনি পদত্যাগ ঘোষণা করে বলেন, ‘আমার ক্ষমতায় থাকার জন্য কোনো প্রকার রক্তপাত হোক সেটা আমি চাই না। যদি আমাদের দেশের সেনাবাহিনীর একটি নির্দিষ্ট অংশ তাদের হস্তক্ষেপের মাধ্যমে সবকিছুর সমাপ্তি টানতে চায় তাহলে আমার সামনে কি আর কোনো বিকল্প থাকে?’

২০১৮ সালের নির্বাচনে দ্বিতীয় মেয়াদে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়েছিলেন কেইতা। যদিও তার আমলে দুর্নীতি, অর্থনৈতিক অব্যবস্থাপনা ও সাম্প্রদায়িক সহিংসতা বেড়ে যায়। সে কারণে প্রেসিডেন্টের ওপর অনেকের ক্ষোভ তৈরি হয়।

দুরন্ত/২০আগস্ট/পিডি